Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

আনন্দ ভ্রমণ

 

আনন্দ ভ্রমণ সফল করার প্রস্তুতি

বেড়াতে যাওয়ার আগে অবশ্যই আপনাকে সিজনের দিকে খে
য়াল
রেখে স্থান নির্বাচন করতে হবে। যেখানে বেড়াতে যাবেন সেখানকার আবহাওয়া, রাস্তাঘাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ, আইনশৃঙ্খলার অবস্থা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। এছাড়াও কোথায় কোথায় ঘুরবেন, সেগুলোর ইতিহাস মজার ফ্যাক্টরগুলো জেনে নিন। এতে করে আপনি সহজে ভ্রমণের খরচ নির্ধারণ করতে পারবেন। ফলে আপনার ভ্রমণ সহজ এবং আনন্দদায়ক হবে

তালিকা তৈরি করুন

ভ্রমণে যাওয়ার আগে অবশ্যই একটি তালিকা বা চেকলিস্ট করে নেবেন। কোথায় ঘুরবেন, সঙ্গে কী কী নেবেন এগুলো চেকলিস্টে উল্লেখ থাকলে ভ্রমণের আগে এবং ফিরতি পথে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে নেয়া সহজ হয়, সঙ্গে সময়ও বাঁচে

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন

দূরপাল্লার ভ্রমণে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ভিসা, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য দরকারি কাগজপত্র সঙ্গে নিন। প্রয়োজনে এসবের একসেট ফটোকপি সঙ্গে রাখুন। যাতে হারিয়ে গেলেও ডিজিটাল কপির সাহায্যে অন্তত পরিস্থিতি সামাল নিতে পারেন। এছাড়া মোবাইল পাওয়ার ব্যাংকসহ দরকারি ডিভাইস সঙ্গে নিন

বড় আকারের লাগেজ পরিহার করুন

ভ্রমণে আপনার মূল লক্ষ্য থাকা উচিত ভালো সময় কাটানোর দিকেই। তাই সকাল-বিকাল আলাদা পোশাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক হন। কারণ আপনার ভ্রমণকে মাটি করতে একটা ভারি ব্যাগই যথেষ্ট। দূরের যাত্রায় বড় আকারের লাগেজ অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে। তাই সব জিপার কাজ করে এমন পরিপাটি এবং মাঝারি মানের লাগেজ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে করে সব জিনিসপত্র রাখা যাবে এবং গোছানোও থাকবে

পোশাক নির্বাচন করুন

ভ্রমণের স্থান এবং পরিবেশ মাথায় রেখে পোশাক নির্বাচন করুন। খুব বেশি আঁটসাঁট, রঙিন, চকচকে পোশাক না পরে হালকা রঙের আরামদায়ক পোশাক সঙ্গে নিন। রোদ থেকে বাঁচার জন্য কাপড়ের টুপি বা ক্যাপ, রোদচশমা খুব ভালো কাজে দেবে। জুতার ব্যাপারে বাড়তি মনোযোগ দিন। তাপ নিরোধক, ঢিলেঢালা পোশাক এবং আরামদায়ক কেডস আপনার ভ্রমণকে আনন্দময় করে তুলবে

খাবার নির্বাচনে সতর্ক হন

ভ্রমণের খাবার-দাবারের ব্যাপারে প্রথমেই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে হাইজেনিক ফ্যাক্টর। যে খাবারটি খাচ্ছেন সেটি স্বাস্থ্যসম্মত কিনা যাচাই করে নিন। ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করতে এবং দেহকে রিচার্জ করতে সহজপ্রাপ্য উচ্চপুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবারকে গুরুত্ব দিন। সঙ্গে শুকনো এবং ফল জাতীয় খাবার রাখুন। সকালের খাবারে আঁশযুক্ত, শর্করাসমৃদ্ধ এবং দুপুরের খাদ্য তালিকায় সহজে পরিপাক হয় এমন খাবার রাখুন। এছাড়া ঘুরতে যেয়ে টুরিস্ট রেস্টুরেন্টে খাওয়ার চেয়ে কোনো দর্শনীয় স্থানে পিকনিক করতে পারেন। স্থানীয় কোনো ঐতিহ্যবাহী খাবার থাকলে তা খেয়ে দেখতে পারেন। এতে স্থানীয় সংস্কৃতি, রীতিনীতি সম্পর্কেও জানতে পারবেন

ফাস্ট এইড বক্স সঙ্গে রাখুন

খাবার স্যালাইন, প্যারাসিটামল, এন্টিসেপটিক মলম, বমি, বদ হজমের ওষুধ, সর্দি-কাশি বা যে কোনো ধরনের এলার্জিসহ ইমার্জেন্সি ওষুধ সঙ্গে রাখুন। এছাড়া অবশ্যই সব সময় বিশুদ্ধ খাবার পানি সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না। দেখা যাবে প্রয়োজনের সময় ছোট পদক্ষেপ অনেক কাজে দেবে

বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখুন

অনেক সময় পরিকল্পনা মতো সবকিছু হয় না। না চাইলেও সামনে পড়তে পারে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। হঠাৎ কোনো দুর্ঘটনার কারণে পরিকল্পনা পরিবর্তন হতেই পারে। তাই সবকিছুর বাইরে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখুন। কারণ প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে যে কোনো পরিস্থিতি সামলে ভ্রমণকে আনন্দময় করে তুলতে পারবেন

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ