Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

অল্প দিনে ঘুরে আসুন গজলডোবা, রইল অপরূপ এই পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণের সাত সতেরো


 

অল্প দিনে ঘুরে আসুন গজলডোবা, রইল অপরূপ এই পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণের সাত সতেরো

কাঞ্চনজঙ্ঘা, সবুজ অরণ্য, অসংখ্য পরিযায়ী পাখি আর ধীর প্রবাহিনী তিস্তা। অপরূপ সৌন্দর্যে শীতের রুক্ষতা ভুলিয়ে দেবে গজলডোবা

 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর গজলডোবা
ছবি: সংগৃহীত

শীতের ছুটিতে
অল্প দিনের মধ্যে কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসার জায়গা খুঁজছেন? আদর্শ গন্তব্য হতে পারে উত্তরবঙ্গের গজলডোবা। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর গজলডোবাতে রয়েছে নীল জলাধার, সবুজ বনানী আর প্রাচীন হিমালয়ের অবিশ্বাস্য মেলবন্ধন, আর সঙ্গে রয়েছে পাহাড়ের রানি তিস্তা ।



কী দেখবেন
জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজারের ওদলাবাড়ির খুব কাছেই রয়েছে ছোট্ট গ্রাম গজলডোবা। সম্প্রতি সরকারী উদ্যোগে একে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। চাষের কাজের জন্য তিস্তার উপর বাঁধ দেওয়ার ফলে এখানে তৈরি হয়েছে নীল জলাধার। অসংখ্য পরিযায়ী পাখি প্রতি বছর ভিড় করে এই হ্রদগুলিতে। দেখা মিলতে পারে হাতিরও। গজলডোবার এক পাশে রয়েছে অপালচাঁদ অরণ্য এবং আর এক দিকে রয়েছে বৈকুন্ঠপুর অরণ্য। তিস্তা এখানে খরস্রোতা নয়। বরং যেন ধীর মন্দাকিনী। মৎস্যজীবীদের নৌকায় চেপে ভেসে পড়তে পারেন নদীতে।

কী করে যাবেন
শিলিগুড়ি বা জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে নেমে খুব সহজেই চলে যেতে পারেন গজলডোবা। এনজেপি থেকে গাড়ি করে চলে আসা যায় এখানে। ঘণ্টা খানেকের বেশি সময় লাগে না। বাগডোগড়া থেকে এখানকার দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার। নভেম্বর থেকে মার্চ গজলডোবায় যাওয়ার সেরা সময়

কোথায় থাকবেন
গজলডোবায় সরকারী উদ্যোগে ২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে একটি পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুক করা যায় ঘর। হাতে সময় থাকলে, ঘুরে আসতে পারেন গরুমারা জাতীয় উদ্যানও। গজলডোবা থেকে গরুমারার দূরত্ব প্রায় ২৬ কিলোমিটার


 

শীতের মরসুমে সেজে উঠেছে হাওড়ার গাদিয়াড়া, ঘুরে আসুন সপ্তাহান্তে

হাতে সময় কম? গাদিয়াড়ায় সপ্তাহান্ত কাটিয়ে আসু বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে

 

পিকনিক করতে পৌঁছে যান গাদিয়াড়ায়।
ছবি: সংগৃহীত

এক দিনের পিকনিক অথবা দুদিন নিরিবিলিতে কাটাতে চান? তা হলে ঘুরে আসতে পারেন হাওড়ার শ্যামপুর ব্লকের গাদিয়াড়া থেকে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে পর্যটকদের কাছে গাদিয়াড়াকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নতুন করে সাজনো হয়েছে এই পর্যটন কেন্দ্রকে আম্পান অথবা ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কা সামলে ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে গাদিয়াড়া।

কী করে যাবেন

কলকাতা ধর্মতলা থেকে বাসে মাত্র দুঘণ্টা এবং গাড়িতে দেড় ঘণ্টার যাত্রাপথ। ছাড়া হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেন ধরে বাগনান স্টেশনে নেমে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায় অল্প সময়ে

কী দেখবেন

রূপনারায়ণ, ভাগীরথী এবং হলদি নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত গাদিয়াড়ার সৌন্দর্য বরাবর আকৃষ্ট করে পর্যটকদের। পর্যটন কেন্দ্রের পশ্চিমপাড়ে পূর্ব মেদিনীপুরের গেঁওখালি দক্ষিণপাড়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নূরপুর রায়চক। নদী পেরিয়ে ঘুরে আসতে পারেন পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়িতে

 

গাদিয়াড়া থেকে সহজেই যাওয়া যায় হলদিয়া বন্দর অথবা দীঘা। নদীতীরের শান্ত নিরিবিলি পরিবেশে রকমারি গাছগাছালি এবং পাখিদের কলরব রীতিমতো আকর্ষণ করে পর্যটকদের। আর তার টানেই বড়দিন অথবা নতুন বছরের আগের ছুটিতে ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা

গাড়িতে অথবা বাসে এখান েকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ঘুরে আসা যায় গরচুমুকু। যা ৫৮ গেট নামেও পরিচিত। নদীর ধারে এই পর্যটন কেন্দ্রে রয়েছে ডিয়ার পার্ক

 

নৌকায় বসে উপভোগ করতে পারেন সূর্যাস্ত।
ছবি: সংগৃহীত

 

কোথায় থাকবেন

বেশ কিছু হোটেল পেয়ে যাবেন থাকার জন্য। শান্ত নদীর পাড়ে ভোরে সূর্যদয় বিকালে সূর্যাস্ত উপভোগ করার পাশাপাশি রয়েছে তিন নদীর মিলন স্থলে লঞ্চে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ। নদীর ধারে পিকনিক করতে পারেন

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ