Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

পাহাড়চূড়ায় পঞ্চ ঐশ্বর্য‍‍্য

 



পাহাড়চূড়ায় পঞ্চ ঐশ্বর্য‍‍্য 
 শুভ্র পাহাড়ের আকাশ ছুঁয়েছে কুম্ভকর্ণ,  রাথঙ আর কাব্রু। খানিক দূরে পান্ডিম আর সিমারো। কাঞ্চনজঙ্ঘা সবার মাথা ছাড়িয়ে। ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদল। ভোরের আধো অন্ধকারে সোনালী ছটা। কিছু পরেই রূপলি। তারপর  অন‍্যরূপ। নীল আকাশের নীচে রোদ ঝলমলে ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য‍্য। টেমি চা বাগান থেকে এক অনবদ‍্য রূপ। পাহাড়ের রাজা সিকিমের একমাত্র চা বাগান । বিশাল পাহাড়ের ঢালে বাগানের চোখ ধাঁধানো বিস্তার। সুন্দর বাগানে থাকাটাও সুন্দর ও মনোরম। দোতলা বাড়ি। ছাদে উঠলেই চারিদিক একদম খোলা মেলা। সবুজ কার্পেটে মোড়া উত্তর দক্ষিণ পূর্ব ও পশ্চিম।
আকাশ মেঘমুক্ত হলেই কাঞ্চনজঙ্ঘার উন্নত শিখরদেশ। একক শৃঙ্গ নয় - কুম্ভূকর্ণ, কাব্রু, রাথাং ও  তিন চূড়া। একটু দূরে পান্ডিম ও সিমারো। ভোরের আলোয় কাঞ্চনজঙ্ঘার আলোর ছটা দেখার মত। কিছু পরে রূপালী আলোর স্নান মনে থাকবে সকলেরই। যা দেখার আকুতি নিয়ে দেশ বিদেশের অজশ্র পর্যটক এখানে ভিড় জমিয়ে রাখেন। 
ভারত আর নেপালের মাঝে তৃতীয় সর্ব বৃহত  শৃঙ্ঘ হচ্ছে কাঞ্চনজঙ্গা। এর নামের মধ‍্যে লুকিয়েৎ আছে ' পাহাড় চূড়ায় পঞ্চ ঐশ্বর্য‍্য '। স্থানীয় মানুষের দেবতা। তাঁদের বিশ্বাস তিনি সবার সৌভাগ‍্য ফিরিয়ে দেন। পূর্ণিমা রাতে অথবা ভোরের আলোয় দেখবেন শুধু এই আশা নিয়ে বহু মানুষ আসেন এখানে। টেমি গেষ্ট হাউস অথবা ঘর থেকেও দেখা যায় সেনযেলুমোকে। লিম্বু ভাষায় এই শব্দের মানে হচ্ছে ঈশ্বরের আবাস। সিকিম, দার্জিলিং ও তার আশে পাশে অনেক জায়গা এমনকি উত্তরবঙ্গের দূরের  কিছু জায়গা থেকেও দেখা যায়। টেমি চা বাগান থেকে হাতের নাগালেরর মধ‍্যে রূপার খনি। 
সকালটা অন্ধকার কিন্তু অন্ধকার। কালো মেঘ ঢেকেছে চারিদিক চরাচর। কোজাগরি লক্ষ্মী পৃজার দিন সৌভাগ্য-দেবতার দর্শন পাওয়া যায়। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ