Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বাঙালীর প্রিয় মাইথন ড্যাম ও পিকনিক স্পট ভ্রমণের বিস্তারিত

 

অপূর্ব সুন্দর পিকনিক স্পট মাইথন 

ছুটির দিনগুলোয় প্রকৃতির প্রেমে মাততে চাইলে যেতে হবে অরণ্য সমারে। আবার সেখানে থাকবে ছোট ছটো পাহাড়ের ডালি সাজান।নিঝুম রাতে পূর্ণিমার চাঁদ ঢলে পড়ে জলাশয়ের তরঙ্গময় বুকে। আর মনের গহীনে রোমান্টিকতা জানিয়ে।ছুটে যায় দূরে আরো দূরে।  অকবির মনে জেগে ওঠে কবিতার লাইন। এক ধরনের রোমাঞ্চকর ভাল লাগায় মন ভরিয়ে দেয়

্যাঁ এমন পূর্ণিমার মোহময় রাতের  রানির নাম হচ্ছে মাইথন।এমন জায়গা কার না ভালো লাগে। ভাল না বেসে থাকা যায়

চার নং জাতীয় সড়ক ছেড়ে ডান দিক ঘুরে  বাঁক নিয়ে দু-এক কিমি পাহাড়ের চড়তে শুরু করছিল। ছক ছিল অন্যভাবে ঘুরে পরের দিন ঠিক সময়ে পৌঁছাব। কিন্তু মত পরিবর্তন হয়ে গেল,কারণ আমার এক বন্ধু 'মজুমদার নিবাস' বুকিং করে রেখেছে। মাইথনের এই নিবাসটি জলাধারের মধ্যে। মত পাল্টে ফেল্লাম, আপাতত মাইথন

জল-জলঙ্গ-পাহাড় সমন্বিত সৌন্দর্য্যের খনি মাইথন। যারা শুধু পিকনিক করতে শীতের দিনে একবেলা বা একদিনের জন্য বেড়াতে যান তারা ঘুরে যেয়ে বলেন যে, মাইথনে শুধু ্যাম আছে আর কিছু নেই তারা ভুল বলেন। মাইথনের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে হলে দু-তিন দিন অবশ্য থাকতে হবে

 

এবার বলি এখানে কি কি দেখা যাবে

 

ঘাঘর মাতার মন্দির // আসানসোল থেকে মাইথন আসার পথে পড়বে ঘাঘর মাতার মন্দির। আদি নাম শ্রীশ্রী ঘাঘরবুড়ি চন্ডিমাতার মন্দির। পুজো দেবার লম্বা লাইন। মন্দির গায়ে খোদাই করা আছে নকড়ি রায় কৃষ্ণ রায় মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।১৬২০ খৃষ্টাব্দে। প্রাচিন চত্বর খুবই ৃষ্টি নন্দন। পিছনে বড় বড় গাছের ফাকা দিয়ে বিস্তির্ন জলাধার চোখে পড়বে

চন্দচূড় মন্দি : এখান থেকে আট কি মি দূরে অবস্থিত চন্দচুড় মন্দির।প্রাচিরে ঘেরা উঠনের মাঝে শান্ত সৌম্য পরিবেশে এই মন্দিরের গর্ভগৃহে অবস্থিত শিবলিঙ্গ দেখা যাবে

মাইথন বাঁধ জলাধার  // অপূর্ব জলাধার। অনন্ত জলরাশি। বাঁ দিকে তাকালেই ্যাম বা ্যারেজ। এপার পশ্চিমবঙ্গ আর পারে ঝাড়খন্ড। আর আছে ছোট ছোট পাহাড়। জলাধারের বুকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জেগে থাকে অসংখ্য দ্বীপ। দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয় খুব। জলধারের বুকে সবচেয়ে কাছের দ্বীপটির সঙ্গে ওপারের সংযোগকারি কংক্রিটের সেতু। এই দ্বীপটিতেই DVC- নিজস্ব বাংলো মজুমদার নিবাস। চারিদিক জল থৈ ৈ। এক পাশে ঘন জঙ্গল আর তিন পাশে জল আফুরণ। নিবাসটি কি  সুন্দর। প্রতিটি ঘর ওয়েল ডেকরেটড

মধ্যান ভোজন সেরে ্যামের জলাধারে স্পিডবোটে জলবিহারে মেতে উঠলাম। আছে নৌকা বিহারের ্যাবস্থা

মাইথন পার্ক পিকনিক স্পট

মাইথন জলাধারের কাছে সুন্দর সাজান গোছান পার্ক। ছোটদের মন ভোলান আনন্দ দেবার জন্য রয়েছে বিভিন্ন জীব-জন্তুর আদলে নকল কাঠাম। হরিণ থেকে ডাইনোসার প্রভৃতির মেল বন্ধন। এই পার্কে বিশেষ আকর্ষণ হল পাহাড়ের গায়ে চড়া নামার জন্য সেনাবাহিনীর শুটিং ্যাকটিস রেঞ্জ। পাশেই  আদিবাসী গ্রাম। সামনের  দিকে এগুলেই দেখা যাবে মাইথন পিকনিক স্পট। সবার কাছে জায়গাটা খুবই আকর্ষণীয়। এখানে কাশ্মীরের মতন শিকারা নৌকা। খুব সামান্য পয়সায় নৌকায় ঘুরা যায়।আছে আনন্দদ্বীপ। একটু দূরে পাহড়ে অবস্থিত 

 

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরের বন বাংলো

কল্যাণেশ্বরী মন্দিরমাই-কে-থান থেকেই মাইথ নামের উৎপত্তি। মাইথনের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কল্যাণেশ্বরী। প্রচুর দোকান -পাঠ আছে এখানে


 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ