Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

ত্রিপুরার কমলাসাগর, কসবা কালী মন্দির-

 



ত্রিপুরার
 কমলাসাগরকসবা কালী মন্দির-

ত্রিপুরা রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে  মনমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থান হচ্ছে কমলাসাগর কসবা কালিবাড়ী। এক সময়  জায়গার প্রাচীন নাম ছিল কেলারগড়

এখানে ছিল ত্রিপুরা রাজাদের গড় বা দুর্গ। মুসলমান শাসনকালে কৈলারগড় নাম হয় কসবা। ফার্সি ভাষায় হয় ছোট শহর। রাজধানী আগরতলা থেকে মাত্র ২৮ কিমি দূরত্বে  কসবা। পাশেই বাংলাদেশ। এখানেই পর্যটন কেন্দ্র  গড়ে উঠেছে। পথে যেতে দেখতে পাবেন টি.আর.ইস ্যাম্পমধুপূর বাজারকমলাসাগর চা বাগান  কসবা কালিবাড়ী। চোখে পড়বে সিমান্তের কাঁটা তারের বেড়া  কালি মন্দিরের ওপাশে বাংলাদেশের  সবুজ ক্ষেত-খামারবসত ভিটেরেলওয়ে স্টেশনছটন্ত ট্রেন আর মানুষজন। ২০ ফুট দূরে কাঁটাতারের বেড়া। কালিবাড়ী শুধু ধর্মীয় স্থানই নয়সম্প্রদায়িক সম্প্রতির মিলনক্ষেত্রও বটে। চারিদিক সবূজ  টিলার উপরে অধিষ্ঠান করছেন মা কসবেশ্বরী। দূর-দূরন্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন মায়ের দর্শনের জন্য  পুজো দিতে

১৪৫০-১৪৯২ শকাব্দে মহারাজা বিজয় মানিক্য খড়ের গৃহে এই বিগ্রহ স্থাপন করেছিলেন। কৈলাশ সিংহের রাজমালা অনুসারেমহারাজ কল্যাণমানিক্য দূর্গের মধ্যে নির্মাণ করেন কৃষ্ণবর্ণ প্রস্তরে সিংহবাহিনীমহিষাসুর মর্দিনীদশভূজা দূর্গার মূর্তি  মহারজা দ্বিতীয় রত্নমাণিক্যের সময় এই মন্দির সংস্কার করা হয়। 

কসবা মন্দিরের সামনে  বিশাল দিঘী। খনন হয়েছে ১৫০১ খৃষ্টাব্দে। ত্রিপূরার তৎকালীন মহারাজ আর তার পত্নি মহারাণী কমলা মহাদেবীর নামে দিঘীটি খনন করান যা কমলাসাগর নামে পরিচিত। দিঘীর পাড়ে ছোট ছোট ঘর আছে। দিঘীর পাড় দিয়ে চলে গেছে আন্তর্জাতিক সিমান্ত। ভারত-বাংলাদেশ সিমান্তফলে পর্যটকদের কাছে একটা বিশেষ আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। দিঘীর পশ্চিমে দেখা যাবে কমলাসাগর স্টেশন

কীভাবে যাবেন:- আগরতলা থেকে  তিন ঘন্টার মধ্য পৌঁছে যাবেন  কসবা কালিবাড়ী

থাকার জায়গা :- কালি মন্দিরে আছে টুরিষ্ট লজ। লজের ঠিকানা-

কুমিলা ভিউ টুরিষ্ট লজ। কমলাসাগর

বিশালগর। ত্রিপুরা

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ